তারেক রহমান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করেছেন। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি ব্যান্ড দলকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
পুরষ্কার এর ধরণ-১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং ৪ লাখ টাকার চেক।
চলতি বছর সংস্কৃতি, শিল্পকলা ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য যারা পদক পেয়েছেন:
১. ফরিদা আক্তার ববিতা (চলচ্চিত্র)
২. শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা)
৩. আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর – সংগীত)
৪. ওয়ারফেজ (ব্যান্ড দল – সংগীত)
৫. মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য)
৬. প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা)
৭. অর্থি আহমেদ (নৃত্য)
৮. ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা)
৯. প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা)
১০. তেজস হালদার জোশ (ভাস্কর্য)
২. শফিক রেহমান (সাংবাদিকতা)
৩. আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর – সংগীত)
৪. ওয়ারফেজ (ব্যান্ড দল – সংগীত)
৫. মেরিনা তাবাসসুম (স্থাপত্য)
৬. প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার (চারুকলা)
৭. অর্থি আহমেদ (নৃত্য)
৮. ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলা)
৯. প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষা)
১০. তেজস হালদার জোশ (ভাস্কর্য)
পদক বিতরণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, “গুণীজনরাই একটি জাতির আলোকবর্তিকা। আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষায় তাদের অবদান আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করবে।” তিনি বিশেষ করে ব্যান্ড সংগীত ও আধুনিক স্থাপত্যের মতো ক্ষেত্রগুলোকে মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
