সম্প্রতি বিসিএস নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৯তম বিসিএস-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় জালিয়াতি ও কোটা অপব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাডার হওয়ার ঘটনায় মোট ১২ জন পিএসসির সাবেক সদস্য ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং কিছু কর্মরত কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
২৯তম বিসিএস-এ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহার না করেও জালিয়াতির মাধ্যমে ৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে পিএসসির সাবেক ১২ জন সদস্য, ১ জন সচিব এবং আরও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
সম্প্রতি সনদ জালিয়াতি করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসের ৩ জন কর্মরত ক্যাডার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা করেছে দুদক। এঁদের মধ্যে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা রয়েছেন।
৩৫তম বিসিএসে নিজের চাচাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেনকে সম্প্রতি জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করেছে দুদক ।
