২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জামায়াত মনে করে, বিগত নির্বাচনগুলোতে প্রতিবেশী দেশের বিশেষ প্রভাব ছিল। এবার যাতে কোনো বিদেশি শক্তি নির্বাচনের ফলাফল বা প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সেজন্য তিনি এই আগাম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, গত ৫৪ বছর ধরে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তগুলো অনেক ক্ষেত্রে বিদেশের ইচ্ছায় প্রভাবিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, জামায়াত একটি “স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ” বাংলাদেশ চায় যেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত এ দেশের জনগণই নেবে। তাই তিনি ভারতকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা আপনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাই না, তাই আপনারাও আমাদের বিষয়ে নাক গলাবেন না।” এটি মূলত একটি ‘রেসিপ্রোকাল’ বা সমমর্যাদার সম্পর্কের দাবি, যেখানে এক দেশ অন্য দেশের ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে না। ডা. শফিকুর রহমান আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের বহিরাগত হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হয়, তবে ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং বিতর্ক চলতেই থাকে। তবে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই মৌলিক দায়িত্ব। একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রক্রিয়া সকল নাগরিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে মজবুত করে। দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং গঠনমূলক আলোচনা অপরিহার্য।
