আন্তর্জাতিক: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করার প্রয়াস ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথ নেওয়া ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় তিনি এই আশা ব্যক্ত করেন।
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথগ্রহণকারী ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।
ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরো নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন। ক্রিস্টেনসেনের ঢাকায় আসার বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও রাষ্ট্রাচার প্রধান মো. নুরল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের যোগদানের বিষয়ে অবহিত করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মনোনীতি রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকায় সবশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় দায়িত্ব পালন করেন।
