ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তাঁর জন্মস্থান এবং ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। তাঁকে মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে দাফন করা হবে, যেখানে তাঁর বাবার সমাধিও রয়েছে।
দাফনের আগে রাজধানী তেহরানে খামেনিকে শেষবিদায় জানাতে ‘বড়সড়’ আয়োজন করা হবে বলে নিজেদের টেলিগ্রামে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
খামেনির শাসনামলে ইরান সামরিক দিক থেকে স্বনির্ভরতা অর্জন করে। বিশেষ করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে ইরান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়, যা আঞ্চলিক রাজনীতিতে দেশটির প্রভাব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আধুনিক ইরানের ইতিহাসে অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। একদিকে যেমন তিনি কট্টরপন্থার জন্য সমালোচিত ছিলেন, অন্যদিকে নিজ দেশের সামরিক শক্তির উন্নয়ন এবং পশ্চিমা প্রভাবমুক্ত স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির জন্য তিনি তাঁর অনুসারীদের কাছে একজন সফল ও দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
