সাগরের নিচে পাতা ইরানি “ব্ল্যাক হোল” বা কিলো-ক্লাস সাবমেরিন এবং বিশাল আন্ডারওয়াটার মিসাইল সিটি মূলত কৌশলগত প্রতিরক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই সাবমেরিনগুলো অত্যন্ত নিঃশব্দে চলতে পারে এবং এদের গায়ে বিশেষ রাবার টাইলস (Anechoic tiles) থাকে, যা শত্রুপক্ষের সোনার সংকেত শোষণ করে নেয়। ফলে পানির নিচে এগুলোকে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যে কারণে মার্কিন নৌবাহিনী একে “ব্ল্যাক হোল” বলে ডাকে।
পারস্য উপসাগরের প্রায় ৫০০ মিটার গভীরে নির্মিত এই নৌঘাঁটিগুলো বিমান হামলা বা বাঙ্কার-বাস্টার বোমা থেকেও নিরাপদ। এটি ইরানের সামরিক শক্তিকে শত্রুর প্রথম আঘাত থেকে রক্ষা করে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ দেয়।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে । এছাড়াও হরমুজ প্রণালীতে ইরানি বোট কর্তৃক একটি মার্কিন জাহাজকে হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। ইরান সতর্ক করেছে যে, তাদের ওপর হামলা হলে তারা পারস্য উপসাগরের নিচে থাকা তাদের মিসাইল সিটি এবং ড্রোন ব্যবহার করে মার্কিন রণতরী ও আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে (যেমন- কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘাঁটি) পাল্টা হামলা চালাবে।

