সম্পাদকীয়. দেশের মাটি হাতে নিয়ে স্পর্শ করলেন তিনি। লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মাত্র পাঁচ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে লেগে গেল চার ঘণ্টা। অবশেষে বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চে উঠে তিনি যেন প্রমাণ করলেন-তিনিই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
বলছি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথা।
এই প্রত্যাবর্তন শুধু দেশের মানুষের মধ্যেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোড়ন তোলে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো একবাক্যে উচ্চারণ করে-তিনিই বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্বের প্রতীক।
ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী পতিত মাফিয়া সরকারের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে কাটানোর পর দেশে ফিরে মাত্র ১৭ মিনিটের যে বক্তব্য তিনি দিলেন, তা কেবল একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতার পক্ষেই সম্ভব। তার ভাষণে ছিল না প্রতিহিংসা, ছিল না কাউকে অপমান বা বিদ্বেষমূলক কোনো শব্দ। এমনকি নিজের দল নিয়েও নয়,তার প্রতিটি কথা ছিল দেশ ও মানুষের জন্য।
তিনি কথা বলেছেন বাংলাদেশকে সঠিক পথে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো-তিনি বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লক্ষ শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষের কথা বলেছেন, যাদের নিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ প্রকাশ্যে ভাবেননি বা কথা বলেননি।
তার বক্তব্যের শেষ অংশটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্টিন লুথার কিং-এর ঐতিহাসিক “আই হ্যাভ এ ড্রিম”এর অনুকরণে নয়, বরং এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে তারেক রহমান বললেন, “আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আই হ্যাভ এ প্ল্যান ফর মাই পিপল, ফর মাই কান্ট্রি।
এই পরিকল্পনা যদি তিনি বাস্তবায়ন করতে পারেন, তবে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে এক নতুন উচ্চতায়।

